‘আমাকে লুকটেস্টে মশারির মতো পাতলা শাড়ি পরতে দিয়েছিল ওরা’

শ্রীলেখা মিত্র। তিনি কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। একটি ওয়েব সিরিজে ‘উমা বৌদি’ চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান এই নায়িকা। শ্রীলেখাকে সেখানে মশারির মতো শাড়ি পরে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে শ্রীলেখা নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। এ কারণে ওই ওয়েব সিরিজে কাজ করেননি তিনি।

‘উমা বৌদি’ চরিত্রের স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছিল, দ্বিতীয় সিজনে আসতে চলেছিলেন ঝুমা বৌদি। তাকে নিয়ে ঘটছে একের পর এক বিতর্কিত ঘটনা।

প্রথম দিকে জানা গিয়েছিল ঝুমা বৌদির ভূমিকায় থাকবেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এই অভিনেত্রী নিজেও তাই জানতেন। কিন্তু যেদিন প্রমো রিলিজ হলো, সেইদিন ঘটল অন্য ঘটনা। তা হলো শ্রীলেখা শ্রীলেখা মিত্ত্রের জায়গায় দেখা মিলল ভোজপুরী অভিনেত্রী মোনালিসাকে।

ভোজপুরী অভিনেত্রী মোনালিসা-ই হলেন ‘দুপুর ঠাকুরপো’ ওয়েব সিরিজের নতুন কাস্ট ‘ঝুমা বৌদি’। এরপরই শুরু হয় নানান বিতর্ক।

তবে ‘দুপুর ঠাকুরপো’র নির্মাতারা জানিয়েছেন শ্রীলেখা মিত্রকে ‘ঝুমা বৌদি’র চরিত্র থেকে বাদ দেয়ার কারণ হচ্ছে তার ওজন। তারা এটাও বলেন যে, ‘ঝুমা বৌদি’র চরিত্রের জন্য ৩৬-২৪-৩৬ চেহারার প্রয়োজন ছিল বটে কিন্তু সেই তুলনায় শ্রীলেখা নাকি একটু বেশিই মোটা বলে মন্তব্য করেন ‘দুপুর ঠাকুরপো’র নির্মাতারা।

তবে সম্প্রতি নায়িকার মুখে শোনা গেল অন্য কথা।

গণমাধ্যমটির ওই প্রতিবেদনে শ্রীলেখাকে প্রশ্ন করা হয়- আপনি বলেছিলেন, কুরুচিপূর্ণ কনটেন্টের কারণে আপনিই কাজটা করেননি। কোনটা সত্যি?

উত্তরে অভিনেত্রী শ্রীলেখা জানান, ‘আমি তো এই প্রথম বার আপনার কাছ থেকে শুনছি যে, ওজনের জন্য আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে! ইন্ডাস্ট্রিতে তো সকলেই জানে, আমি মোটাসোটা। সেই হোমওয়ার্কটা করে নিয়ে ওদের আসা উচিত ছিল! আমাকে লুকটেস্টে যে শাড়িটা পরতে দেওয়া হয়েছিল, সেটা একেবারে মশারির মতো! এ রকম স্লিজ় শো আমি কেন করব? আর ওদের বাঙালি বউদি চাই, না কি ভোজপুরি বউদি চাই- সে ব্যাপারেও একটু পরিষ্কার থাকা উচিত ছিল।’

শ্রীলেখার এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে সমালোচনা। সকলেরই প্রশ্ন শ্রীলেখার মত সিনিয়র একজন অভিনেত্রীকে এ কেমন প্রস্তাব?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *